নৃসিংহ দেব ও ভক্ত প্রহ্লাদ:

সকলকে নৃসিংহ চতুর্দশীর শুভেচ্ছা।

আজ নৃসিংহ দেবের সম্পর্কে জানোতে চেষ্টা করছি।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পূর্ববর্তী অবতার বরাহদেব, হিরণ্যাক্ষ নামে এক রাক্ষসকে বধ করেন। হিরণ্যাক্ষের ভাই হিরণ্যকশিপু এই কারণে প্রবল বিষ্ণুবিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। তিনি দাদার হত্যার প্রতিশোধ খুঁজতে থাকেন। তিনি মনে করেন, সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা তিনি প্রবল ক্ষমতা সম্পন্ন। তাই তিনি তিনি মন্দার পর্বতের উপত্যকায় পায়ের আঙ্গুলের উপর ভর করে দাঁড়িয়ে উর্ধ্ববাহু হয়ে আকাশে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে অনাহারে অত্যন্ত কঠোর তপস্যা শুরু করলেন।

সুদীর্ঘ ছত্রিশ হাজার পাঁচশ বছর তপস্যার পর সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা তাকে অবশেষে দর্শন দেন। ব্রহ্মা তাকে অমরত্ব ছাড়া যা খুশি বর চাইতে বললেন। তখন চতুর হিরণ্যকশিপু তৎক্ষণাৎ গভীরভাবে চিন্তা করে অমরত্ব কথাটি বাদ দিয়ে ছলে বলে অমরত্বের মতই বর চাইলেন। তাই সে বলতে লাগল -

হে প্রভু, হে শ্রেষ্ঠ বরদাতা, আপনি যদি আমাকে সত্যই বর দিতে চান, তবে এমন বর দিন যে বরে আপনার সৃষ্ট কোনো জীবের হস্তে আমার মৃত্যু ঘটবে না। আমাকে এমন বর দিন যে বরে আমার বাসস্থানের অন্দরে বা বাহিরে আমার মৃত্যু ঘটবে না; দিবসে বা রাত্রিতে, ভূমিতে বা আকাশে আমার মৃত্যু হবে না। আমাকে এমন বর দিন যে বরে শস্ত্রাঘাতে, মনুষ্য বা পশুর হাতে আমার মৃত্যু হবে না। আমাকে এমন বর দিন যে বরে কোনো জীবিত বা মৃত সত্তার হাতে আমার মৃত্যু হবে না; কোনো উপদেবতা, দৈত্য বা পাতালের মহানাগ আমাকে হত্যা করতে পারবে না।

 ব্রহ্মা হিরণ্যকশিপু সেই বরই দিলেন। এইভাবে বর পেয়ে হিরণ্যকশিপু আরো শক্তিশালী হয়ে ওঠেন অত্যাচার শুরু করেন, এবং নিজেকে ভগবান বলতে থাকেন।

 

হিরণ্যকশিপু যখন মন্দার পর্বতে তপস্যা করছিলেন, তখন ইন্দ্র অন্যান্য দেবগণ তাঁর প্রাসাদ আক্রমণ করেন। দেবর্ষি নারদ হিরণ্যকশিপুর স্ত্রী কায়াদুকে রক্ষা করেন। দেবর্ষি দেবগণের নিকট কায়াদুকেপাপহীনাবলে উল্লেখ করেছিলেন। নারদ কায়াদুকে নিজ আশ্রমে নিয়ে যান। সেখানে কায়াদু প্রহ্লাদ নামে একটি পুত্রসন্তানের জন্মদেন। নারদ প্রহ্লাদকে শিক্ষিত করে তোলেন। নারদের প্রভাবে প্রহ্লাদ হয়ে ওঠেন পরম বিষ্ণুভক্ত।

 

এতে তাঁর পিতা হিরণ্যকশিপু অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন। ক্রমে প্রহ্লাদের বিষ্ণুভক্তিতে হিরণ্যকশিপু এতটাই ক্ষুব্ধ বিরক্ত হন যে তিনি নিজ পুত্রকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু যতবারই তিনি বালক প্রহ্লাদকে বধ করতে যান, ততবারই বিষ্ণুর মায়াবলে প্রহ্লাদের প্রাণ রক্ষা পায়।হিরণ্যকশিপু প্রহ্লাদকে বলেন তাঁকে ত্রিভুবনের অধিপতি রূপে স্বীকার করে নিতে। প্রহ্লাদ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন একমাত্র বিষ্ণুই এই ব্রহ্মাণ্ডের সর্বোচ্চ প্রভু। ক্রুদ্ধ হিরণ্যকশিপু তখন একটি স্তম্ভ দেখিয়ে প্রহ্লাদকে জিজ্ঞাসা করেন যেতার বিষ্ণুসেখানেও আছেন কিনা।

 

প্রহ্লাদ উত্তর দিলেন, তিনি এই স্তম্ভে আছেন, এমনকি ক্ষুদ্রতম যষ্টিটিতেও আছেন। হিরণ্যকশিপু ক্রোধ সংবরণ করতে না পেরে গদার আঘাতে স্তম্ভটি ভেঙে ফেলেন। তখনই সেই ভগ্ন স্তম্ভ থেকে প্রহ্লাদের সাহায্যার্থে নৃসিংহের মূর্তিতে আবির্ভূত হন বিষ্ণু।

 

তখন অন্তরীক্ষ থেকে ব্রহ্মার বাণী সে শুনতে পেল, হে হিরণ্যকশিপু,

নৃসিংহদেব আমার সৃষ্টির কেউ না, বরং আমিই উনার সৃষ্টি।

 

#- গৃহের ভিতর বা বাইরে নয়, ভগবান তোমাকে চৌকাঠে মারতে যাচ্ছে।

#- দিন বা রাত্রি নয়, চেয়ে দেখ এখন গোধুলী লগ্ন।

#- জলে, ভূমিতে বা আকাশে নয় তুমি নৃসিংহদেবের উরুদেশে মরতে যাচ্ছ।

#- পশু বা মানব নয় দেখ, নৃসিংহদেব পশুও নয় মানবও নয়।

#- কোন অস্ত্রে নয়, বরং ভগবানের নখ তোমার শরীর বিদীর্ণ করবে এক্ষুনি।



ভাগবত পুরানে বলা হয়েছে, হিরণ্যকশিপুকে বধ করার পর সকল দেবতাই নৃসিংহদেবের ক্রোধ নিবারণে ব্যর্থ হন।

নৃসিংহকে শান্ত করতে শিব প্রথমে বীরভদ্রকে প্রেরণ করেন। বীরভদ্র ব্যর্থ হল। বিফল হন স্বয়ং শিবও। সকল দেবগণ তখন তাঁর পত্নী লক্ষ্মীকে ডাকেন; কিন্তু লক্ষ্মীও স্বামীর ক্রোধ নিবারণে অক্ষম হন। তখন ব্রহ্মার অনুরোধে প্রহ্লাদ এগিয়ে আসেন। ভক্ত প্রহ্লাদের স্তবগানে অবশেষে নৃসিংহদেব শান্ত হন।

 

শ্রীনৃসিংহদেবের স্তব :

 

জয় নৃসিংহ শ্রী নৃসিংহ।

জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ।।

উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং

জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।

নৃসিংহং ভীষণং ভদ্রং

মৃত্যোর্মৃত্যুং নমাম্যহুম্।।

শ্রীনৃসিংহ জয় নৃসিংহ জয় জয় নৃসিংহ।

প্রহ্লাদেশ জয়পদ্মামুখ পদ্মভৃঙ্গং।।

তব করকমলবরে নখমদ্ভুতশৃঙ্গং

দলিতহিরণ্যকশিপুতনুভৃঙ্গম্।

কেশব ধৃত-নরহরিরূপ জয় জগদীশ হরে।।

 

যে কোন বিপদে আপদে যে কোন সময় এই স্তব গুলো পাঠ করিলে ভগবান শ্রীনৃসিংহদেব তাকে অনায়াসে রক্ষা করে থাকেন।।

 

শ্রীনৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত মাহাত্ম্য :

বৃহন্নারসিংহ পুরাণে ভগবান শ্রীনৃসিংহদেব ভক্ত প্রহ্লাদকে বললেন-

 বর্ষে বর্ষে তু কর্তব্যং মম সন্তুষ্টি কারণম।

মহা গুহ্যমিদং শ্রেষ্ঠং মানবৈর্ভব ভীরুভিঃ।


প্রতি বছর আমার সন্তুষ্টি উদ্দেশ্যে চতুর্দশী ব্রত্য কর্তব্য। জন্ম-মৃত্যুময় সংসার ভয়ে মানুষ এই পরম গোপনীয় শ্রেষ্ঠ ব্রত পালন করবে। বৈশাখ মাসের শুক্লা চতুর্দশীতে শ্রীনৃসিংহদেব আবির্ভূত হয়েছিলেন, তাই এই তিথিতে ব্রতপালনপূর্বক তার পূজা উৎসব করতে হয়।

 শ্রীনৃসিংহদেব বললেন, আমার ব্রতদিন জেনেও যে ব্যক্তি লঙ্ঘন করে, চন্দ্র-সূর্য যতদিন ততদিন নরক যাতনা ভোগ করবে। যদিও আমার ভক্তরা এই ব্রত করে থাকে তবুও প্রত্যেকের এই ব্রতে অধিকার আছে।

 

প্রহ্লাদ বললেন, হে ভগবান, হে নৃসিংহরূপ, হে সকল দেবগণের আরাধ্য প্রভু আপনাকে প্রণাম জানাই। আমি জিজ্ঞাসা করছি, হে প্রভু, তোমার প্রতি আমার ভক্তি কিরূপ উৎপন্ন হল? কিরূপ আমি তোমার প্রিয় ভক্ত হলাম?

শ্রীনৃসিংহদেব বললেন, হে বুদ্ধিমান একান্ত মনে শোনো। প্রাচীন কল্পে তুমি ব্রাহ্মণ ছিলে, কিন্তু বেদপাঠ করনি। তোমার নাম ছিল বসুদেব এবং তুমি ছিলে বেশ্যাসক্ত। তোমার কোন সুকর্ম ছিল না, কেবল একটি মাত্র আমার ব্রত করেছিলে। সেই ব্রত প্রভাবে তোমার রকম আমার প্রতি ভক্তি হয়েছে।

প্রহ্লাদ বললেন, হে নৃসিংহ, হে অচ্যুত, হে প্রভু, আমি কার পুত্র হয়ে কি করতাম? বেশ্যাসক্ত অবস্থায় কিভাবে তোমার ব্রত করলাম? দয়া করে বলুন।

 শ্রীনৃসিংহদেব বললেন, পুরাকালে অবন্তীপুরে এক বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ ছিল। তার নাম ছিল বসুশর্মা। ধর্মপরায়ণ বৈদিক ক্রিয়া অনুষ্ঠানে তৎপর। তার ভার্যা জগৎপ্রসিদ্ধা সুশীলা পতিব্রতা সদাচারিণী। তাদের পাঁচ পুত্র ছিল। চারজন ছিল সদাচারী, বিদ্ধান, পিতৃভক্ত। কিন্তু কনিষ্ঠ পুত্রটি ছিল অসদাচারী, সর্বদা বেশ্যাসক্ত, সুরাপায়ী। সেই কনিষ্ঠ পুত্রটি ছিলে তুমি। নিত্য বেশ্যাগৃহেই তুমি বসবাস করতে।

এক বনমধ্যে তুমি সেই তোমার বান্ধবী বেড়াতে গিয়েছিলে। তোমরা মনে করেছিলে দিনটি বেশ ভালোই কাটবে। কিন্তু তোমাদের নিজেদের মধ্যে চরিত্র বিষয়ে বিশেষ রকমে কলহ বেধে যায়। তোমাদের মধ্যা মনোমালিন্যের কারনে মৌনভাবে তোমরা আলাদাভাবে একটি স্থানে এসে বসেছিলে। সেখানে তুমি অতি পুরানো ধ্বংসাবশেষ গৃহ নিদর্শন স্বরূপ কিছু ইট পাথর দেখেছিলে। সেই নির্জন স্থানে আলাদাভাবে উপবেশন করে তোমরা দুইজন ক্রন্দন করছিল আপন আপনভাবে। সারাদিন তোমরা অনাহারী ছিলে, এমনকি জল পর্যন্ত পান করনি। সারারাতও তোমরা জাগরিত ছিলে।



ক্লান্ত শরীরে দুঃখিত অন্তরে মনোমালিন্য ভাবে তুমি সেখানে শুয়ে পড়ে প্রার্থনা করছিলে, ‘হে ভগবান, হে শ্রীহরি, এই জগতের কত লোক সুন্দর! আমার মা-বাবা কত সুন্দর ধর্মপ্রাণ। আমার ভাইয়েরা কত সুন্দর। তাঁরা নিষ্ঠাবান, চরিত্রবান। কিন্তু আমি অধঃপতিত। আমি মহা মন্দমতি। আমি চরিত্রহীন। হে ভগবান, ভাল লোকেরা তোমার শরণাগত। আমি মূর্খ কার শরণাগত নই। আমি নিঃসঙ্গ। আমি বড় অসহায় অবস্থায় তোমার কাছে প্রার্থনা করছি, হে ভগবান, আমাকে বিশুদ্ধ জীবন দান করো। এভাবে তুমি ক্রন্দন করছিলে। আর তোমার বান্ধবী, সেও একান্ত মনে প্রার্থনা করছিল, হে ভগবান, আমি এই সমাজের মধ্যে সবচেয়ে জঘন্য স্তরের জীব। সভ্য সমাজ থেকে আমি বিক্ষিপ্ত

বিচ্ছিন্ন। এই জগতে অনেক নিষ্ঠাবতী সাধ্বী সুন্দরী নারী রয়েছে। আর আমি মহাপাপী গণিকাবৃত্তি করেই জীবন নষ্ট করেছি। প্রতিদিনই কেবল পাপের বোঝা বাড়িয়েছি। নরকযাতনা কতই না এই পোড়া কপালে অপেক্ষা করছে। ভদ্র সমাজে কেউ কোনওদিন আমার দিকে তাকাতেও চায় না। হে পরম করুণাময় ভগবান, যদি তোমার অহৈতুকী কৃপাদৃষ্টি আমার প্রতি থাকে তবে দয়া করে আমার এই জীবন পরিবর্তন করে দাও। এভাবে সে আকুল অন্তরে ক্রন্দন করতে লাগল।

 

শ্রীনৃসিংহদেব বললেন, হে প্রহ্লাদ, সেই স্থানটি ছিল আমার প্রাচীন মন্দির। সেই দিনটি ছিল বৈশাখ মাসের শুক্লা চতুর্দশী-আমার আবির্ভাবের দিন। তোমরা উপবাসী ছিলে, রাত্রি জাগরণ করছিলে, জীবনের কল্যাণ প্রার্থনা করছিলে। অর্থাৎ অজ্ঞাতসারেই তোমরা আমার পরম-মঙ্গলময় চতুর্দশী ব্রত পালন করেছিলে। সেই ব্রত প্রভাবে তুমি জন্মে আমার প্রিয় ভক্তরূপে জন্মগ্রহণ করেছ। আর সেই বেশ্যাও স্বর্গলোকে অপ্সরা জীবন লাভ করে ত্রিভুবনে সুখচারিণী হয়েছে।

 

হে প্রহ্লাদ! আমার ব্রতের প্রভাব শোনো। সৃষ্টিশক্তি লাভের উদ্দেশ্যে ব্রহ্মা আমার এই চতুর্দশী ব্রত পালন করেছিলেন। ত্রিপুরাসুরকে বধের উদ্দেশ্যে মহাদেব এই ব্রত করেছিলেন, স্বর্গসুখ লাভের জন্যই দেবতারা আগের জন্মে আমার ব্রত করেছিলেন। বেশ্যাও এই ব্রত প্রভাবে ত্রিলোকে সুখচারিণী হয়েছে। যে সমস্ত মানুষ আমার এই ব্রতশ্রেষ্ঠ পালন করবে, শতকোটি কল্পেও তাদের সংসার পুনরাগমন নেই। আমার ব্রত প্রভাবে অপুত্রক ভক্ত পুত্র লাভ করে, দরিদ্র ধনশালী হয়, তেজস্কামী তেজঃলাভ করে, রাজ্যকামী রাজ্য পায়, আয়ুস্কামী দীর্ঘায়ু লাভ করে স্ত্রীলোকেরা আমার এই চতুর্দশী ব্রত পালন করলে ভাগ্যবতী হয়, এই ব্রত সৎপুত্র প্রদ, অবৈধব্যকর পুত্রশোক বিনাশন, দিব্য সুখ প্রদ। স্ত্রী-পুরুষ যারা এই উত্তমব্রত পালন করে, তাদের আমি সুখ ভক্তি-মুক্তি ফল দান করি।

 

এভাবে ভগবান তার ভক্তকে বিপদ থেকে রক্ষা করেন। তাই তাকে বলা হয় বিপদভঞ্জক ভগবান নৃসিংহদেব।

 

শ্রীনৃসিংহদেবের স্তব প্রণাম মন্ত্র :

 

নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদহ্লাদ-দায়িনে

হিরণ্যকশিপোর্বক্ষঃ শিলাটঙ্ক-নখালয়ে ।।

ইতো নৃ্সিংহঃ পরতো নৃ্সিংহঃ ।।

যতো যতো যামি ততো নৃ্সিংহঃ ।।

বর্হিনৃ্সিংহ হৃদয়ে নৃ্সিংহো

নৃ্সিংহমাদিং শরণং প্রপদ্যে ।।

তব করকমলবরে নখমদ্ভুতশৃঙ্গং

দলিতহিরণ্যকশিপুতনুভৃঙ্গম্

কেশব ধৃত-নরহরিরূপ জয় জগদীশ হরে ।।

সবাই এই স্তব কয়েক বার পাঠকরুন

 

অনেক অনেক ভক্তি এবং পারমার্থিক শক্তি সঞ্চিত হবে। যা সময়ে অকল্পনীয়।


জয় সর্ববিঘ্ন বিনাশকারী ভক্তবৎসল ভগবান শ্রীনৃসিংহ দেবের জয়,

জয় ভক্তরাজ প্রহল্লাদ মহারাজের জয়।।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে

হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

Comments

Popular posts from this blog

লোকনাথ ব্রহ্মচারী এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

সমবয়সী কিংবা বয়সে ছোটদের নমস্কার দেওয়া উচিত?

অষ্ট সখী সম্পর্কে অজানা এ তথ্য জানেন তো?