পার্শ্ব বা পার্শ্ব পরিবর্তনী একাদশী মাহাত্ম্য
আসছে ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২২ইং, রোজ বুধবার শুভ প্বার্শ বা প্বার্শপরিবর্তনী_একাদশী।
পারণ: ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২২ইং,
রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ৫:৪২-৯:৫১ টা
পর্যন্ত।
ব্রহ্মবৈবর্ত
পুরাণে
ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের পার্শ্ব একাদশী মাহাত্ম্য যুধিষ্ঠির- শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণিত
রয়েছে। যুধিষ্ঠি মহারাজ জিজ্ঞাসা করলেন হে কৃষ্ণ। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর
নাম কি? এবং এই ব্রত পালনেই কি পূণ্য লাভ হয়? উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন, হে ধর্মরাজ মহা পুণ্যপ্রদা, সমস্ত পাপহারিনী এবং মুক্তিদায়িনী এই
একাদশী বাজপেয় যজ্ঞ থেকেও বেশি ফল দান করে। যে ব্যক্তি এই তিথিতে ভক্তি সহকারে
ভগবান শ্রীবামন দেবের
পূজা করেন তিনি ত্রিলোক পূজিত হন। পদ্মফুলে পদ্মলোচন শ্রীবিষ্ণুর অর্চনকারী
বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন।শায়িত ভগবান এই তিথিতে পার্শ্ব পরিবর্তন করেন। তাই এর নাম
পার্শ্ব একাদশী বা পার্শ্ব পরিবর্তনী একাদশী।
যুধিষ্ঠির মহারাজ বললেন, হে জনার্দন আপনার এসকল কথা শুনেও আমার
সন্দেহ পুর্ণরূপে দূর হয়নি। হে দেব আপনি কিভাবে শয়ন করেন, কিভাবেই বা পার্শ্ব পরিবর্তন করেন, আর চার্তুমাস্য ব্রত পালনকারীর কি কর্তব্য এবং আপনার শয়নকালে লোকের
কি করণীয়? এসব বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আমাকে বলুন।
আর কেনই বা দৈত্যরাজ বলিকে বেঁধে রাখা হয়েছিল, তা বর্ণনা করে আমার সকল সন্দেহ দুর করুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন হে রাজন
দৈত্যকুলে আবির্ভূত প্রহ্লাদ মহারাজের পৌত্র “বলি” আমার অতি প্রিয় ভক্ত ছিল। সে আমার
সন্তুষ্টি বিধানের জন্য গো-ব্রাক্ষণ পূজা ও যজ্ঞাদি ব্রত সম্পাদন করত। কিন্তু
ইন্দ্রের প্রতি বিদ্বেষবশত সকল দেবলোক সে জয় করে নেয়। তখন
দেবতাগণসহ ইন্দ্র আমার শরণপন্ন হয়েছিল। তাদের প্রার্থনায় আমি ব্রাক্ষণবালক বেশে
বামনরূপে বলি মাহারাজের যজ্ঞস্থলে উপস্থিত হলাম। তার কাছে আমি ত্রিপাদভুমিমাত্র
প্রার্থনা করেছিলাম। সেই তুচ্ছ থেকে আরও শ্রেষ্ঠ কিছু সে আমাকে দিতে চাইলেও আমি
কেবল ত্রিপাদ ভূমি গ্রহণেই স্থির থাকলাম। দৈত্যগুরু শুক্রাচার্য আমাকে ভগবানরুপে জানতে পেরে
বলিমহারাজকে ঐদান দিতে নিষেধ করল। কিন্তু সত্যাশ্রয়ী বলি গুরুর নির্দেশ অমান্য করে
আমাকে দান দিতে সংকল্প করল। তখন আমি এক পদে নীচের সপ্তলোক, আরেক
পদে উপরের সপ্তভুবন অধিকার করে নিলাম। পুনরায় তৃতীয় পদের স্থান চাইলে সে তার মাথা
পেতে দিল। আমি তার মস্তকে তৃতীয় পদ স্থাপন করলাম। তার আচরণে সন্তুষ্ট হয়ে আমি
সর্বদা তার কাছে বাস করার প্রতিশ্রুতি দিলাম।
আপনি
নিজে একাদশী ব্রত পালন করুন ও অন্যকে পালনে উৎসাহিত করুন।
হরে কৃষ্ণ
হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ
কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম
হরে রাম
রাম রাম
হরে হরে।।
বি:দ্র: প্রয়োজনীয় ও উপকারী মনে করলে অবশ্যই
শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিবেন।

.jpg)
Comments
Post a Comment