শিব রাত্রি কী এবং কেন পালন করা হয় ?
ফাল্গুন মাসে শিবের আরাধনা দেশবাসীর কাছে পরম পবিত্র। কথিত আছে, এই দিনেই শিব 'লিঙ্গরূপে' আত্মপ্রকাশ করেন। আবার কেউ বলেন, এই দিন বিয়ে হয়েছিল শিব-পার্বতীর।
পুরাণ মতে,
শিবরাত্রির দিন শিবকে স্বপ্নে পেয়েছিলেন পার্বতী। আবার কোথাও উল্লেখ রয়েছে এদিনেই নাকি
পার্বতীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মহাদেবের। শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে কোথাও কোথাও তিন দিন
আগে থেকে শুরু হয় মন্দিরের সাজসজ্জা। পার্বতী এবং শিবের মূর্তিকে বর কনে সাজিয়ে
ঘরে-ঘরে ঘোরানো হয়, মহাশিবরাত্রির দিন ওদের বিয়েও দেওয়া
হয়। শিবরাত্রি হচ্ছে হিন্দু শৈব সম্প্রদায়ের নিকট একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার
অনুষ্ঠান। মহাশিবরাত্রি বা শিবরাত্রি হচ্ছে হিন্দু শৈব সম্প্রদায়ের নিকট একটি
গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। এই মহাশিবরাত্রি ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের
চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয়। মহাশিবরাত্রি হল হিন্দুধর্মের সর্বোচ্চ আরাধ্য
দেবাদিদেব মহাদেব ‘শিবের মহা রাত্রি’।
দ্বিতীয়ত,
সকলেই জানেন দেবতা আর অসুররা যখন
সমুদ্রমন্থন করেন তখন সমুদ্র থেকে ভয়াবহ বিষ উঠতে থাকে; বিষের
উগ্রতায় সমস্ত সৃষ্টি ধ্বংসের মুখে চলে যায়। বিশ্ব-চরাচরকে বাঁচাতে মহাদেব সেই ভয়াবহ
গরল কণ্ঠে ধারণ করেন, বিষে তাঁর কণ্ঠ নীল হয়ে যায়, এই
কারণেই শিবের আরও একনাম নীলকন্ঠ। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে কালকূট বিষ পান
করে মহাদেব সৃষ্টি রক্ষা করেছিলেন বলে এই দিনটিতে মহাশিবরাত্রি পালিত হয়। অন্ধকার
আর অজ্ঞতা দূর করার জন্য এই ব্রত পালিত হয়;
অগণিত ভক্ত এইদিন শিবলিঙ্গে গঙ্গাজল, দুধ, বেলপাতা, ফুল
দিয়ে আরাধনা করে থাকেন। ফাল্গুন মাসে শিবের আরাধনা সনাতনীদের
কাছে পরম পবিত্র। কথিত আছে, এই দিনেই শিব 'লিঙ্গরূপে' আত্মপ্রকাশ
করেন। আবার কেউ বলেন, এই দিন বিয়ে হয়েছিল শিব-পার্বতীর।
হিন্দু মহাপুরাণ তথা শিবমহাপুরাণ অনুসারে এই
রাত্রেই শিব সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের মহা তাণ্ডব নৃত্য
করেছিলেন। আবার এই রাত্রেই শিব ও পার্বতীর বিয়ে হয়েছিল। এর নিগুঢ় অর্থ হল, শিব ও শক্তি তথা পুরুষ ও আদিশক্তি বা পরা
প্রকৃতির মিলন। এই মহাশিবরাত্রিতে শিব তার প্রতীক লিঙ্গ তথা শিবলিঙ্গ রূপে
প্রকাশিত হয়ে জীবের পাপনাশ ও মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন। এই দিনে, ভক্তরা একটি দিনব্যাপী উপবাস পালন করে এবং
বিশ্বজুড়ে শিব মন্দিরগুলিতে পূজা করা হয়। ভক্তরা সাধারণত শিবলিঙ্গে দুধ নিবেদন
করে এবং মোক্ষ প্রার্থনা করে।
মহাশিবরাত্রিকে শিবের সর্বশ্রেষ্ঠ রাত্রি’ নামেও পরিচিত, আগামী ১ মার্চ, ২০২২ইং বাংলাদেশ ও ভারত জুড়ে উদযাপিত হবে৷ এটি ভগবান শিবের ভক্তদের জন্য সবচেয়ে শুভ উৎসবগুলোর মধ্যে একটি৷ এই শুভ দিনে, ভক্তরা ভগবান শিবের উপাসনা করে এবং একটি দিনব্যাপী উপবাস পালন করে এবং মধ্যরাতে পূজা পালন করা হয়। ভক্তরাও মহাদেবের কাছে প্রার্থনা করেন এবং তাঁর আশীর্বাদ চান।
পুরাণ মতে, শিবরাত্রির
দিন শিবকে স্বপ্নে পেয়েছিলেন পার্বতী।
আবার কোথাও উল্লেখ রয়েছে এদিনেই নাকি পার্বতীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মহাদেবের।
শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে কোথাও কোথাও তিন দিন আগে থেকে শুরু হয় মন্দিরের
সাজসজ্জা।পার্বতী এবং শিবের মূর্তিকে বর কনে সাজিয়ে ঘরে-ঘরে ঘোরানো হয়, মহাশিবরাত্রির দিন ওদের বিয়েও দেওয়া হয়।
শিবরাত্রি হচ্ছে হিন্দু শৈব সম্প্রদায়ের নিকট
একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। মহাশিবরাত্রি বা শিবরাত্রি হচ্ছে হিন্দু
শৈব সম্প্রদায়ের নিকট একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। এই মহাশিবরাত্রি
ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয়। মহাশিবরাত্রি হল
হিন্দুধর্মের সর্বোচ্চ আরাধ্য দেবাদিদেব মহাদেব ‘শিবের মহা রাত্রি’।
দ্বিতীয়ত, সকলেই
জানেন দেবতা আর অসুররা যখন সমুদ্রমন্থন করেন তখন সমুদ্র থেকে ভয়াবহ বিষ উঠতে থাকে; বিষের উগ্রতায় সমস্ত সৃষ্টি ধ্বংসের মুখে চলে
যায়। বিশ্ব-চরাচরকে বাঁচাতে মহাদেব সেই ভয়াবহ গরল কণ্ঠে ধারণ করেন, বিষে তাঁর কণ্ঠ নীল হয়ে যায়, এই কারণেই শিবের আরও একনাম নীলকন্ঠ।
ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে কালকূট বিষ
পান করে মহাদেব সৃষ্টি রক্ষা করেছিলেন বলে এই দিনটিতে মহাশিবরাত্রি পালিত হয়।
অন্ধকার আর অজ্ঞতা দূর করার জন্য এই ব্রত পালিত হয়; অগণিত ভক্ত এইদিন শিবলিঙ্গে গঙ্গাজল, দুধ,
বেলপাতা, ফুল দিয়ে আরাধনা করে থাকেন।
হর হর মহাদেব
ReplyDelete