সনাতন/হিন্দু_ধর্মে_মূর্তিপূজা_নিষেধ_না।
সনাতন/হিন্দু ধর্মে মূর্তিপূজা নিষেধ না। মূর্তিপূজা নিষেধ বলে যে মন্ত্র বলা হয় এগুলো বিকৃত অর্থে প্রচারিত।
✍
অন্ধং তমঃ প্রবিশন্তি
যেহ সংভূতি মুপাস্তে।
ততো ভুয় ইব তে তমো য অসম্ভুত্যাঃ রতাঃ।।️( যজুর্বেদ ৪০/৯)
✍️সরলার্থঃ যারা সকামকর্ম(অর্থাৎ ফলের আশায় কাজ করা, স্বার্থপরতা,
লোভ ইত্যাদি) আসক্ত হয় তারা অন্ধকারে প্রবেশ করে এবং যারা
"অসম্ভুত্যাং" অর্থাৎ বিধ্বংসী কার্যকলাপে লিপ্ত হয় তারা আরো অন্ধকারে প্রবেশ
করেন।
✍️এখানে,
**প্রবিশ্যন্তি- প্রবেশ করে
**সম্ভুতি- সকাম কর্ম
**মু উপাস্তে- সংযুক্ত হওয়া
**রত্যাঃ- আসক্ত হওয়া
👉বিকৃত অর্থ - প্রকৃতির পূজা করলে অন্ধকারে নরকে যাবে,আর কার্যব্রহ্মে মানে মাটি দিয়ে কিছু বানানো, একদম স্পষ্ট,
একদম স্পষ্ট ভাবে মূর্তিপূজা নিষিদ্ধ!
✍
ন তস্য প্রতিমা অস্তি
যস্য নাম মহদ্ যশঃ।
হিরণ্যগর্ভ ইত্যেষ মা মা হিংসীদিত্যেষা যস্মান্ন জাত ইত্যেষঃ।।️(যজুর্বেদ ৩২/৩)
✍️এখানে যে প্রতিমা শব্দটি
ব্যবহৃত হয়েছে তা সংস্কৃত শব্দ প্রতিম এর সাথে 'আ'
প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। প্রতিম শব্দের অর্থ তুল্য বা সমতুল্য।
এখানে এর সরলার্থ করলে হবে নিরাকার ব্রহ্মের
সমতুল্য কেউ নেই।
কিন্তু এখানে ও বলা নেই যে দেব-দেবীর পূজা করা যাবে না। কারণ দেব-দেবী ঈশ্বরেরই সাকার রূপ।
👉ভুল ব্যাখ্যাঃ-অনেকে এর ভুল ব্যাখ্যা
দিয়ে থাকে এবং তারা যে লাইন ব্যবহার করে তা নিম্নরুপঃ
#ন_তস্য_প্রতিমা_অস্থি"
এবং তাদের কথা হচ্ছে যেহেতু প্রতিমা অর্থ
ইংরেজিতে sculpture,
icon etc. তাই এখানে বলা হয়েছে ঈশ্বরের কোনো প্রতিমা নেই। যা সম্পূর্ণ
ভুলভাবে তারা উপস্থাপন করে থাকে। যদি তাদের এই ব্যবহার করা মাত্র দুইলাইন শব্দ নিই
সম্পূর্ণ মন্ত্র থেকে
👉"ন তস্য প্রতিমা অস্থি"
তদাপি এখানে তাদের ব্যাখ্যা কোনোভাবেই আসে
না। এখানে এর সরলার্থ হয় ঈশ্বরের সমতুল্য কেউ নেই। কিন্তু তার সাকার রূপকে দেব-দেবী
মেনে পূজা নিষিদ্ধ এটা কোথাও নেই৷
আসুন, সনাতনী হিন্দু ভাইবোনেরা
নিজেরা ধর্মজ্ঞান অর্জন করি। শিশুদের শিখাই। আর কোন হিন্দু যেনো
জ্ঞানপাপী না হয়।
স্বর্গের লোভ নয়, নয় নরকের ভয়।
আসুন মুক্তির পথে সত্য, শান্তি, সুন্দর সনাতনে।
"হরেকৃষ্ণ"।




নিজে জানুন, অন্যকেও জানান।
ReplyDelete